Home / শিক্ষা / ২০১৪ ও ২০১৮ সালের প্যানেলে শিক্ষক নিয়োগ নিয়ে যা বললেন প্রাথমিকের ডিজি

২০১৪ ও ২০১৮ সালের প্যানেলে শিক্ষক নিয়োগ নিয়ে যা বললেন প্রাথমিকের ডিজি

সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ে প্যানেল থেকে শিক্ষক নিয়োগ চেয়ে ২০১৪ ও ২০১৮ সালের প্রার্থীরা আন্দোলন করে যাচ্ছেন। প্যানেল থেকে সম্প্রতি ৫ হাজার সহকারী শিক্ষক নিয়োগ দেওয়া হবে গুঞ্জন চলছে প্যানেল প্রার্থীদের মধ্যে। তবে প্যানেল থেকে প্রাথমিক শিক্ষক নিয়োগ দেওয়া হবে না বলে স্পষ্ট জানিয়েছেন প্রাথমিক শিক্ষা অধিদফতরের মহাপরিচালক আলমগীর মুহম্মদ

মনসুরুল আলম। তিনি বলেন, ‘প্যানেল প্রার্থীরা অনেকদিন থেকে আন্দোলন করছে। অধিদফতরও ঘেরাও করেছিল। প্রেস ক্লাবের সামনেও আন্দোলন করেছে। এই আন্দোলনে কিছুটা ইন্ধন ছিল। আমরা কখনও বলিনি যে প্যানেল থেকে শিক্ষক নিয়োগ দেবো। একবার ভুলক্রমে নিয়োগ দেওয়া হয়েছিল। বিজ্ঞপ্তিতে প্যানেল থেকে দেওয়ার কথা ভুলক্রমে বলা ছিল। সে কারণেই

তারা নতুন করে নিয়োগ চাচ্ছে। ’ প্যানেল থেকে নিয়োগ করা হবে কিনা জানতে চাইলে প্রাথমিক শিক্ষা অধিদফতরের মহাপরিচালক আলমগীর মুহম্মদ মনসুরুল আলম, ‘প্রশ্নই উঠে না।’ অন্যদিকে গত বছর (২০২০) ২৫ আগস্ট প্রাথমিক ও গণশিক্ষা মন্ত্রণালয় বিজ্ঞপ্তি দিয়ে জানিয়ে দেয় প্যানেল থেকে শিক্ষক নিয়োগ দেওয়া হবে না। একইসঙ্গে প্যানেলে শিক্ষক নিয়োগ

দিয়ে কোনও স্বার্থান্বেষীমহল অর্থ আদায় করছে। এই অর্থ আদায় করার বিষয়ে সতর্ক করে মন্ত্রণালয়। এসব পরিস্থিতির মধ্যে ২০২০ সালের ১৩ অক্টোবর থেকে ২০১৮ সালে অনুষ্ঠিত পরীক্ষায় উত্তীর্ণ প্যানেলে নিয়োগ প্রার্থীরা জাতীয় প্রেস ক্লাবের সামনে লাগাতার অবস্থান কর্মসূচি শুরু করেন। এই আন্দোলনের অংশ হিসেবে ১৫ অক্টোবর প্রাথমিক শিক্ষা অধিদফতর ঘেরাও করলে

পুলিশ লাঠিচার্জ করে ছত্রভঙ্গ করে দেয়। তারপর জাতীয় প্রেসক্লাবের সামনে বেশ কিছুদিন অবস্থান নেয়। এরই মধ্যে গত বছর ১৮ অক্টোবর সহকারী শিক্ষক নিয়োগের বিজ্ঞপ্তি জারি করে প্রাথমিক শিক্ষা অধিদফতর। এক পর্যায়ে আন্দোলন কর্মসূচি থেকে সরে আসেন ২০১৮ সালের প্যানেল প্রার্থীরা। এদিকে প্যানেলে প্রাথমিকের শিক্ষক নিয়োগের জন্য মানববন্ধনসহ প্রধানমন্ত্রী

কার্যালয়ে স্মারকলিপি দেন ২০১৪ সালে স্থগিত ও ২০১৮ সালে অনুষ্ঠিত প্রার্থীরা। এছাড়া প্রাথমিক ও গণশিক্ষা মন্ত্রণালয়, প্রাথমিক শিক্ষা অধিদফতরে স্মারকলিপি দেন। বিভিন্ন সময় জেলায় জেলায় মানববন্ধন করেন প্রার্থীরা। সংশ্লিষ্ট সূত্রে জানা গেছে, সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ের শিক্ষক পদে ২০১৮ সালে অনুষ্ঠিত দুটি নিয়োগ পরীক্ষায় উত্তীর্ণ ৫৬ হাজার ৯৩৬ প্রার্থী

গত এক বছর থেকে প্যানেল শিক্ষক হিসেবে নিয়োগের দাবি করে আসছেন। এর মধ্যে ২০১৪ সালে স্থগিতের পর ২০১৮ সালে অনুষ্ঠিত সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ের সহকারী শিক্ষক নিয়োগ পরীক্ষায় উত্তীর্ণ ১৯ হাজার ৭৮৮ জন এবং ২০১৮ সালে নিয়মিত পরীক্ষায় উত্তীর্ণ ৩৭ হাজার ১৪৮ জন প্যানেলভুক্তির দাবি জানিয়ে আসছেন। অন্যদিকে, ২০১৮ সালের নিয়মিত পরীক্ষায় উত্তীর্ণ ৩৭ হাজার ১৪৮ জন প্যানেলভুক্তির দাবি জানিয়ে আসছেন। সূত্রঃ বাংলা ট্রিবিউন

Check Also

পদোন্নতি বঞ্চনা থেকে মুক্তি পাচ্ছেন শিক্ষা ক্যাডাররা, সভা আজ

বিসিএস সাধারণ শিক্ষা ক্যাডারের অনেক কর্মকর্তা দীর্ঘদিন ধরেই প্রভাষক পদেই কর্মরত রয়েছেন। অথচ একই সময়ে …

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *