Home / বাংলা টিপস / পাতলা চুলে ভলিউম আসবে ৫টি ন্যাচারাল উপায়ে!

পাতলা চুলে ভলিউম আসবে ৫টি ন্যাচারাল উপায়ে!

জেনিটিক্যালি একেক জনের চুল একেক রকম। কারও চুল ঘন আবার কারও পাতলা। তবে পাতলা চুলের জন্য যে শুধু জেনিটিক্যাল কারণ দায়ী, তা কিন্তু না। প্রোপার টেক কেয়ার না করা, ভুল হেয়ার কেয়ার প্রোডাক্ট ব্যবহার, লাইফস্টাইল, ফুড হ্যাবিট এসব কাপাতলা চুলে ভলিউমরণেও অনেক সময় চুল পাতলা হয়ে যায়।

পাতলা চুলে ভলিউম না থাকার কারণে দেখতেও লাইফলেস লাগে। আর খুব বেশি হেয়ারস্টাইলও করা যায় না।তো যারা পাতলা চুল নিয়ে এমন সমস্যায় আছো, তাদের জন্যই আমার এই লিখাটি। মজার ব্যাপার হলো তোমার হাতের কাছেই এমন কিছু ন্যাচারাল ইনগ্রেডিয়েন্ট আছে, যা পাতলা চুলে ভলিউম ও বাউন্স এনে দিতে পারে। চলো তাহলে জেনে নেই, পাতলা চুল হেলদি রাখার এমনি ৫টি ন্যাচারাল ইনগ্রেডিয়েন্ট সম্পর্কে।

অ্যালোভেরাঃ
চুলের জন্য অ্যালোভেরার বেনিফিট বলে শেষ করা যাবে না! এতে প্রচুর পরিমাণ প্রোটিন, ভিটামিন ও মিনারেল থাকে, যা চুল নারিশ করে এবং হেলদি রাখে। রেগুলার এই অ্যালোভেরা মাস্কটি তোমার চুলে শুধু ভলিউমই আনবে না, পাশাপাশি গ্রোথও বাড়াবে।

যা যা লাগবেঃ- অ্যালোভেরা জেল ১ কাপ- ক্যাস্টর অয়েল ২ টেবিল চামচ।প্রথমে অ্যালোভেরা পাতা থেকে জেল বের করে নাও ১ কাপের মতো। এবার এর সাথে ক্যাস্টর অয়েল মিশিয়ে মাস্ক বানিয়ে নাও। মাস্কটি স্কাল্প ও সম্পূর্ণ চুলে অ্যাপ্লাই করে শাওয়ার ক্যাপ দিয়ে ঢেকে দাও। ১-২ ঘন্টা পর মাইল্ড শ্যাম্পু দিয়ে ধুয়ে ফেলো।

কোকোনাট ওয়াটারঃ

কোকোনাট ওয়াটারের হেলথ বেনিফিট সম্পর্কে তো আমরা সবাই জানি। কিন্তু এর অনেক হেয়ার বেনিফিটও আছে। পাতলা চুলে ঘন করে ভলিউম ও বাউন্স আনতে এটি খুব ভালো কাজ করে। চলো দেখে নেই কোকোনাট ওয়াটার চুলে কীভাবে অ্যাপ্লাই করতে হয়।

যা যা লাগবেঃ- কোকোনাট ওয়াটার ১ কাপ- অ্যাপল সিডার ভিনেগার ১ টেবিল চামচ।প্রথমে কোকোনাট ওয়াটারে অ্যাপল সিডার ভিনেগার মেশাও। এরপর তোমার চুল একটা মাইল্ড শ্যাম্পু দিয়ে ধুয়ে নাও। এবার মিক্সচারটি চুলে অ্যাপ্লাই করে ৫ মিনিট ওয়েট করো। এরপর ঠান্ডা বা হালকা গরম পানি দিয়ে চুল ধুয়ে ফেলো।

গ্রিন টিঃ
হেলথ বেনিফিট-এর পাশাপাশি গ্রিনটির অনেক বিউটি বেনিফিটও আছে। গ্রিনটি ইউজ করে সহজেই তোমার চুলে ভলিউম আনতে পারো।যা যা লাগবেঃ- গ্রিন টি লিকার ১ কাপ- অ্যাপল সিডার ভিনেগার ১/৪ কাপ।গ্রিন টি লিকার ঠান্ডা করে এতে অ্যাপল সিডার ভিনেগার মিক্স করে নাও।

শ্যাম্পু করার পর মিক্সারটি চুলে ঢালো, ধুয়ে ফেলার দরকার নেই। এটি চুলে ভলিউম আনার পাশাপাশি, স্কাল্পে কোনো ইনফ্লামেশন থাকলে তা কমাতে হেল্প করবে। তবে তোমার চুলে কালার করা থাকলে এই মাস্কটি সম্পূর্ণ চুলে অ্যাপ্লাই করার আগে টেস্ট করে সিওর হয়ে নাও, চুল ডিসকালার করে দিচ্ছে কি না।

ডিমঃ
ডিমের প্রোটিন ও সালফার হেয়ার গ্রোথ বাড়ায়। পাতলা চুল ঘন ও হেলদি করার জন্য নিয়মিত প্রোটিন ট্রিটমেন্ট খুবই উপকারি।যা যা লাগবেঃ- ডিম ১ টি- অলিভ অয়েল ১ টেবিল চামচ।প্রথমে ডিম ভালোভাবে বিট করে নাও। এবার এতে অলিভ অয়েল অ্যাড করে মিক্স করো। মাস্কটি স্কাল্পে ও সম্পূর্ণ চুলে অ্যাপ্লাই করে নাও। ২০ মিনিট পর শ্যাম্পু ও ঠান্ডা পানি দিয়ে ধুয়ে ফেলো।

আমলা
চুলের জন্য আরেকটি চমৎকার ন্যাচারাল উপাদান হলো আমলা। এটি চুল পড়া কমাতে ও চুল ঘন করতে দারুণ কাজ করে।যা যা লাগবেঃ- আমলা পাউডার ১ চা চামচ- পানি ১ কাপ।প্রথমে ১ কাপ পানিতে আমলা পাউডার মিশিয়ে নাও। এবার এটি সারারাত এভাবে রেখে দাও। পরদিন শ্যাম্পুর পর মিক্সচারটি চুলে অ্যাপ্লাই করো। এবং ৫ মিনিট পর পানি দিয়ে ধুয়ে ফেলো।

হাতের কাছের কয়েকটা ন্যাচারাল উপাদান দিয়েই পাতলা চুল করা যায় হেলদি ও বাউন্সি! তো আজ থেকেই এই ন্যাচারাল উপাদানগুলো ট্রাই করা শুরু করো, আর কিছুদিনের মধ্যেই পাও তোমার চুলের ম্যাজিকাল ট্রান্সফরমেশন

Check Also

সকালে লেবু পানি খেলে যে উপকার পাবেন

লেবু ছোট একটি ভিটামিন সি জাতীয় ফল হলে এর উপকারিতা কিন্তু মোটেও ছোট বা কম …

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *